শিরোনাম

মেসি-এমবাপের চূড়ায় ওঠার লড়াই: ক্লোসার ‘১৬ গোলের’ অমর রেকর্ড ভাঙার মহা-মিশন

মেসি-এমবাপের চূড়ায় ওঠার লড়াই: ক্লোসার '১৬ গোলের' অমর রেকর্ড ভাঙার মহা-মিশন

Table of Contents

ফিফা বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড ভাঙার লড়াইতে মুখোমুখি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপে। ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে কার মাথায় উঠবে বিশ্বজয়ের মুকুট? মেক্সিকো, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনে আজ পর্দা উঠছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের, যা বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এবারের মেগা টুর্নামেন্টকে ঘিরে ফুটবল মহলে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হলো কে দখল করবেন বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের সিংহাসন? জার্মানির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসার দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অক্ষত থাকা ১৬ গোলের রেকর্ডটি এবার তীব্র হুমকির মুখে পড়েছে। এই রেকর্ড ভাঙার মূল দৌড়ে অধিনায়ক হিসেবে নিজ নিজ দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের গোলমেশিন কিলিয়ান এমবাপে, যাঁদের মাঠের লড়াই দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কোটি কোটি ফুটবল সমর্থক।

কেন মিরোস্লাভ ক্লোসার ১২ বছরের পুরোনো রেকর্ডটি এবার ভাঙতে চলেছে?

২০১৪ সালে ব্রাজিলের মাটিতে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওকে ছাড়িয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। তিনি জার্মানির জার্সিতে ৪টি বিশ্বকাপ খেলে মোট ২৪ ম্যাচে ১৬টি গোল করে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেছিলেন, যা গত দুটি বিশ্বকাপেও কেউ স্পর্শ করতে পারেনি। ক্লোসার ঠিক পেছনেই ১৫ গোল নিয়ে আছেন ব্রাজিলের রোনালদো এবং ১৩টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন জার্মানির গার্ড মুলার, ফ্রান্সের জা ফন্টেইন এবং আর্জেন্টিনার বর্তমান বিশ্বজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ঠিক তাঁদের ঘাড়েই ১২টি গোল নিয়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ফরাসি গতিদানব কিলিয়ান এমবাপে, যা এই আসরটিকে এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে।

এবারের ২০২৬ সংস্করণে ক্লোসার এই অমর কীর্তি ভেঙে দেওয়ার জন্য মেসি ও এমবাপে—দুজনের সামনেই সমীকরণ অত্যন্ত স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম The Guardian তাদের বিশেষ বিশ্বকাপ কলামে উল্লেখ করেছে যে, উত্তর আমেরিকার কন্ডিশন এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলের যে নতুন ধারা তৈরি হয়েছে, তাতে এই রেকর্ডটি এবার অক্ষত থাকা প্রায় অসম্ভব। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আধুনিক ফুটবলের দুই ভিন্ন প্রজন্মের এই দুই রাজপুত্রের মধ্যে যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, তা বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচকে এক নতুন মাত্রা দেবে। ক্লোসাকে টপকে এককভাবে ফুটবল ইতিহাসের সর্বোচ্চ চূড়ায় বসার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কোনো তারকাই।

কিলিয়ান এমবাপে কি সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা এক অতিমানবীয় গোলমেশিন?

মাত্র ২৭ বছর বয়সেই ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে বিশ্বমঞ্চে যা অর্জন করেছেন, তা অনেক ফুটবলারের জন্য সারাজীবনের স্বপ্ন। মাত্র দুটি বিশ্বকাপ খেলেই তিনি নিজের নামের পাশে ১২টি গোল যোগ করে ফুটবল বিশ্বকে সম্পূর্ণ স্তব্ধ করে দিয়েছেন, যার মধ্যে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে ৪টি এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকসহ ৮টি গোল রয়েছে। বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৪টি গোল করার একক রেকর্ডটি ইতিমধ্যেই এই ফরাসি তারকার দখলে রয়েছে। ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করতে এমবাপের প্রয়োজন আর মাত্র ৪টি গোল এবং এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নিতে দরকার ৫টি গোল।

এমবাপের বর্তমান বয়স, অবিশ্বাস্য গতি এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্স চূর্ণ-বিচূর্ণ করার ক্ষমতা বিবেচনা করলে উত্তর আমেরিকার মাটিতে ৫টি গোল করা তাঁর জন্য মোটেও কঠিন কিছু নয়। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা FIFA তাদের অফিশিয়াল প্লেয়ার প্রোফাইল অ্যানালাইসিসে এমবাপেকে এই রেকর্ডের দৌড়ে সবচেয়ে বড় ফেবারিট হিসেবে রেট করেছে। টটেনহ্যাম হটস্পার ছেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার ক্লাব লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি (LAFC)-তে যোগ দেওয়া সতীর্থ বা অন্যান্য তারকাদের চেয়েও এমবাপের গোল করার ক্ষুধা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষভাবে প্রশংসিত। আধুনিক ফুটবলের এই প্রিন্স তাঁর প্রাইম টাইমে থাকা অবস্থাতেই বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সিংহাসনে বসতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

ক্লোসার রেকর্ড ও মেসি-এমবাপের বর্তমান অবস্থান

ফুটবলারের নামদেশের নামমোট বিশ্বকাপ গোলক্লোসার রেকর্ড ভাঙতে প্রয়োজনীয় গোলবিশেষ রেকর্ড/স্থিতি
মিরোস্লাভ ক্লোসাজার্মানি১৬টিইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত২৪ ম্যাচে ১৬ গোল (সর্বকালের সেরা)
রোনালদো নাজারিওব্রাজিল১৫টিঅবসরপ্রাপ্ত২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী ও গোল্ডেন বুট
লিওনেল মেসিআর্জেন্টিনা১৩টি৪টি (রেকর্ডের জন্য)রেকর্ড ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর ও ১৯৯ ম্যাচ
কিলিয়ান এমবাপেফ্রান্স১২টি৫টি (রেকর্ডের জন্য)২ বিশ্বকাপে ১২ গোল ও ফাইনালের হ্যাটট্রিক

লিওনেল মেসি কি তাঁর ‘শেষ নৃত্যে’ আরও এক অমর কীর্তি গড়তে পারবেন?

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি উত্তর আমেরিকার মাটিতে নিজের ক্যারিয়ারের রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে মাঠে নামছেন, যা ফুটবল বিশ্বে এক নজিরবিহীন ঘটনা। কাতার ২০২২ সংস্করণে আর্জেন্টিনাকে অধরা সোনালী ট্রফি জেতানোর পাশাপাশি নিজের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যাকে ১৩-তে নিয়ে গেছেন এই মহাতারকা। আর্জেন্টিনার জার্সিতে এ পর্যন্ত ১৯৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১১৭টি গোল করা এলএমটেন-এর সামনে এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বমঞ্চে শেষবারের মতো জাদু দেখানোর সুযোগ। ক্লোসাকে স্পর্শ করতে ৩৮ বছর বয়সী মেসির প্রয়োজন আর মাত্র ৩টি গোল এবং এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নিতে দরকার ৪টি গোল।

ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে এসে ৪টি গোল করা মেসির মতো ফুটবল ঈশ্বরের পক্ষে মোটেও অসম্ভব কিছু নয়, কারণ তিনি পেনাল্টি এবং ফ্রি-কিক থেকে গোল আদায়ে বিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত কারিগর। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দৈনিক Goal.com তাদের বিশেষ সম্পাদকীয়তে প্রকাশ করেছে যে, মেসি যদি তাঁর এই ‘লাস্ট ড্যান্স’ বা শেষ নৃত্যে ক্লোসার রেকর্ডটি নিজের করে নিতে পারেন, তবে তা হবে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর বিদায়। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল সমর্থক মনে-প্রাণে চাইছেন লিওনেল মেসি তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে এসে এই অনন্য মুকুটটি মাথায় পরে ফুটবলকে চিরবিদায় বলুক।

৪৮ দলের নতুন ফরম্যাট কীভাবে মেসি-এমবাপের গোলসংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করবে?

ইতিহাসের ২৩তম এই ফিফা বিশ্বকাপটি হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং মেগা ইভেন্ট, কারণ এবারই প্রথম টুর্নামেন্টে ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। ম্যাচ সংখ্যা একলাফে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যেকোনো দলের জন্য ফাইনাল বা সেমিফাইনালে পৌঁছানোর পথ আগের চেয়ে অনেক দীর্ঘ এবং চ্যাম্পিয়ন হতে হলে একটি দলকে মোট ৮টি ম্যাচ খেলতে হবে। ম্যাচের সংখ্যা এই বৃদ্ধির ফলে মেসি এবং এমবাপে—দুজনের জন্যই তাদের ব্যক্তিগত গোলসংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার এক অভূতপূর্ব ও দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

গ্রুপ পর্বে তুলনামূলক কম শক্তির প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকায়, সেখানে যদি কোনো দল গোল উৎসবে মেতে উঠতে পারে, তবে নক-আউট পর্ব শুরু হওয়ার আগেই ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড হুমকিতে পড়ে যেতে পারে। ঢাকার অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল Dhaka Tribune তাদের বিশেষ স্পোর্টস রিপোর্টে প্রকাশ করেছে যে, নতুন ফরম্যাটের অতিরিক্ত ম্যাচগুলো স্ট্রাইকারদের জন্য গোল্ডেন বুট এবং সর্বকালের সেরা গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার পথকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এই বর্ধিত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কে প্রথমে ক্লোসার দুর্গ ভাঙতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

FAQ:

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা কে?

জার্মানির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬টি গোল নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসে আছেন। তিনি ৪টি বিশ্বকাপে মোট ২৪টি ম্যাচ খেলে এই রেকর্ড গড়েছিলেন।

লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের বর্তমান বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা কত?

লিওনেল মেসির বর্তমান বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৩টি এবং কিলিয়ান এমবাপের গোলসংখ্যা ১২টি। ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ভাঙতে মেসির প্রয়োজন ৪টি গোল এবং এমবাপের প্রয়োজন ৫টি গোল।

২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি কোন ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) বিশ্বকাপ খেলার অনন্য এক ঐতিহাসিক কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন।

কিলিয়ান এমবাপের বিশ্বকাপের ফাইনাল সংক্রান্ত বিশেষ রেকর্ডটি কী?

কিলিয়ান এমবাপে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪টি গোল করার একক রেকর্ডের মালিক। এর মধ্যে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেই তিনি একটি অবিশ্বাস্য হ্যাটট্রিক করেছিলেন।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে মোট কতটি দল অংশ নিচ্ছে?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো মোট ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার চ্যাম্পিয়ন হতে হলে যেকোনো দলকে টুর্নামেন্টে মোট ৮টি ম্যাচ খেলতে হবে।

মিরোস্লাভ ক্লোসার ঠিক পেছনে ১৫ গোল নিয়ে কোন ফুটবলার অবস্থান করছেন?

মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের ঠিক পেছনেই ১৫টি গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন ব্রাজিলের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার ‘দ্য ফেনোমেনন’ রোনালদো নাজারিও।

JitaBet ,  JitaWin , এবং  JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন,   তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!

উপসংহার

উত্তর আমেরিকার মাটিতে আজ থেকে শুরু হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপটি কেবল ট্রফি জয়ের লড়াই নয়, এটি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার মুকুট দখলের এক ঐতিহাসিক মহাকাব্য। মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের যে দুর্গ গত ১২ বছর ধরে অক্ষত ছিল, তা এবার লিওনেল মেসি এবং কিলিয়ান এমবাপের যৌথ আক্রমণের মুখে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার অপেক্ষায়। পরিসংখ্যান এবং বর্তমান ফর্ম পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছে যে, ৪৮ দলের এই বর্ধিত ফরম্যাটে ম্যাচের সংখ্যা বেশি হওয়ায় রেকর্ডটি ভাঙা কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। একদিকে রয়েছে লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নের আবেগ এবং ষষ্ঠ বিশ্বকাপে আরও একটি অমর কীর্তি গড়ে বিদায় নেওয়ার ব্যাকুলতা, যা আর্জেন্টিনার পুরো দলকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাবে। অন্যদিকে রয়েছেন আধুনিক ফুটবলের গতিদানব ও গোলমেশিন কিলিয়ান এমবাপে, যিনি তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে থাকা অবস্থাতেই বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সিংহাসনটি নিজের নামে খোদাই করতে মরিয়া। গ্রুপ পর্বের তুলনামূলক সহজ ম্যাচগুলো থেকেই এই দুই মহাতারকার আসল লড়াই শুরু হয়ে যাবে, যেখানে প্রতিটি গোলই তাদের নিয়ে যাবে ক্লোসার রেকর্ডের আরও কাছে। ফুটবল অনুরাগীদের জন্য এটি এক পরম পাওয়া, কারণ তারা একই সাথে এক কিংবদন্তির বিদায়ী অমরত্ব এবং অন্য এক ভবিষ্যৎ কিংবদন্তির রাজত্ব প্রতিষ্ঠার সাক্ষী হতে যাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত কার জাদু কাজ করবে এবং কার পায়ে ভর করে ফুটবল বিশ্ব নতুন এক সর্বোচ্চ গোলদাতাকে খুঁজে পাবে, তা দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল ভক্ত এখন অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন।

For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News